তখন ইন্টারমেডিয়েট ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। এখন যেমন, তখনো তেমন ভদ্রলোক ছিলাম। বন্ধুগো লগে রাইতের বেলা হাঁস কিম্বা ছাগু চুরি কৈরা রাইতে রাইতে রাইন্ধা খাওনের মত আকাম কখনো করি নাই। মাঝে মইধ্যে বন্ধুগো লগে শেয়ারে অল্পসল্প বিড়ি টানি। বদ অভ্যাস বলতে এই একটাই।
সে যাই হোক। কলেজের মেয়েদের মধ্যে আমার এক ঘনিষ্ট বন্ধু ছিলো। সাহিত্য, দেশ বিদেশ নিয়া ওর লগে আমার মিলতো ভালো। নোয়াখালী কলেজে ইন্টারের ক্লাস হইতো কলেজের পুরান ক্যাম্পাসে। ছুটির পর ওর লগে হাঁইটা হাঁইটা মাইজদী বাজার পর্যন্ত আসতাম। প্রচুর আড্ডা দিতাম। বন্ধু দেখতে শুনতে বড়ই সৌন্দর্য। এই নিয়া পুলাপান আমারে ত্যক্ত করতো।
যাউগ্গা, সে আবার নোয়াখালীর লুক না। বাবার চাকরী সূত্রে ভাড়া থাকতো আমাগো পাড়ায়। তো একদিন হইলো কি, দুপ্রে আমি পাড়ার রাস্তা দিয়া হাইটা যাইতেছিলাম। তাগো বারান্দার দিকে তাকাইতে দেখি বন্ধু আমারে হাত নাড়াইয়া ডাকতেছে। তো গেলাম তার বাসায়। এর আগেও তার বাসায় গেছি কয়েকবার অন্যান্য বন্ধু বান্ধব মিল্যা। তার বাসার সবার লগেই পরিচয় আছে।
বাসায় গিয়া দেখি সে একলাই। আন্টি গেছে বেড়াইতে। বাসায় আর কেউ নাই। ভালৈ হইলো। দুইজনে অনেকক্ষণ গল্প করলাম। তার ছবির অ্যালবাম সব দেখাইলো। ঘন্টাখানেক পর তার ছোট ভাইটা আসলো। তারে পাঠাইলো চানাচুর কিন্যা আনতে। এর মধ্যে সে চা বানাইলো। তার ছোট ভাইসহ কেক, চানাচুর, চা খাইয়া আরো অনেকক্ষণ গল্প কইরা আমি বাসায় ফিরা আসলাম।










ভাল লাগল। আমিও চাঁন্দের রইতে তরমুজ চুরি করতাম। অখন ভনে হল হাসি পায়।
(ছাগু, লগে, হাঁইটা, পুলাপান, লুক, দুপ্রে, ইত্যাদি শব্দ গুলু আয়ত্বে আনতাছি)
হা হা হা।